Top Stories
  1. তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আগাম অনুমতি ছাড়াই মালদা শহরে পদযাত্রা করতে দেওয়ার ফলেই   অর্ণব ঘোষেকে সরিয়ে দিল কমিশন 
  2. ধর্মনিরপেক্ষ ভারত গড়ার লক্ষ্যে ও তৃণমূল সুপ্রিমোর হাত শক্ত করতে অভিষেক ব্যানার্জির নির্বাচনী জনসভা নির্বাচনী জনসভা!
  3. 'বাবলুই সব থেকে বড় কয়লা মাফিয়া' বাবুল সুপ্রিয়কে তোপ দাগলেন তৃণমূল নেতা অরূপ বিশ্বাস!
  4. ভাটপাড়ার পর এবার হালিশহর পুরসভায় ফাটল ধরাল বিজেপি
  5. দামি বাইক যৌতুকে দেওয়ার কথা থাকলেও,সেই পনের দাবি মেটাতে না পারায় মেয়ের বাড়ির ওপর অত্যাচার!
  6. মেলাতে টয় ট্রেন ও নাগরদোলা ভেঙ্গে পড়ে গুরুতর আহত ১৪
  7. পিকনিকে এসে নদীর পারে সেলফি তুলতে গিয়ে নদীতে তলিয়ে গেল এক কিশোর। 
  8. বুথে বিরোধী এজেন্ট বসতে  দেওয়া হবে না?   প্রকাশ্যে সভায় নিদান দিলেন ভাঙ্গড়ের অনুব্রত  মুদ্দাসির
  9. বুনিয়াদপুরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নির্বাচনী জনসভা, জনসমুদ্রে পরিনত হলো মাঠ!
  10. দুই ভারতীয় নাগরিকের শিরশ্ছেদ করল সৌদি আরব 
news-details
politics

পিটিয়ে মারা হল তৃনমূল নেতার ভাইকে, নেতার হাত ভেঙে দেওয়া হলো,অভিযুক্ত তৃনমূলই!

 

 

শিলিগুড়ি বার্তা ওয়েব ডেস্ক,১১ই ফেব্রুয়ারি: 

 

আবারও খুন হলেন এক তৃনমূল কর্মী । নদীয়া, কাঁথির পর এবার পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুর । রবিবার রাতে এই কেশপুরে পিটিয়ে মারা হয়েছে তৃনমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন বুথ সভাপতির ভাইকে । বাঁ হাত ভেঙে দেওয়ার পাশাপাশি একটি চোখ গেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত পরিবারের আরেক সদস্য । আর গোটা ঘটনায় আভিযোগ তৃনমূল কর্মীদেরই বিরুদ্ধে। পরিবারের লোকেরা সুস্পষ্ট ভাবে আভিযোগ করেছেন স্থানীয় তৃনমূল নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধেই । 

 ঘটনা পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশপুর থানার গোলাড় গ্রাম পঞ্চায়েতের কোনার গ্রামের । 

 

জানা গিয়েছে, ওই গ্রামেরই ধল পরিবারের জমির ধান কেটে নিয়েছিল গ্রামের কিছু তৃনমূল কর্মী । বিষয়টি নিয়ে থানায় আভিযোগ করে ধল পরিবার । এই ঘটনায় ধল পরিবারের পক্ষে দাঁড়ায় এই বুথের প্রাক্তন তৃনমূল বুথ সভাপতি অজিত পন্ডিত ও তাঁর পরিবার ।    অজিত পন্ডিতের অভিযোগ , ''রবিবার ধল পরিবারের লোকেদের একটি পার্টি অফিসে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় । দীর্ঘক্ষন পরে ফিরেও আসে ধল পরিবার । এরপরই স্থানীয় তৃনমূল নেতারা ঝাঁপিয়ে পড়ে আমার ওপর , বাঁশ ও চ্যালাকাঠ দিয়ে পেটাতে থাকে আমাকে । আমাকে বাঁচাতে আসে আমার ভাইপো ও ভাই । আক্রমন হয় তাদের ওপরে । ওদের মারেই আমার ভাইয়ের মাথা দু' ফাঁক হয়ে যায়।'' 

  রাতেই  সভাপতি অজিত পন্ডিত  সহ তার পরিবারের তিন সদস্যকে গুরুতর আহত অবস্থায় রাতেই ভর্তি করা হয় মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজে। হাসপাতালে ঘন্টা খানেকের মধ্যেই  চিকিৎসকরা অজিতের ভাই  নন্দ পন্ডিতকে (৬২)মৃত বলে ঘোষনা করেন।

   এই ঘটনাকে কেশপুরের ব্লক সভাপতি সঞ্জয় পান বনাম বিধায়ক শিউলি সাহার গোষ্ঠি দ্বন্দের ফল বলেই মনে করছে স্থানীয় মানুষেরা । যদিও সঞ্জয় পানের দাবী এটা পুরোটাই গ্রাম্য ও পরিবারিক বিবাদের ঘটনা ।

You can share this post!

Comments System WIDGET PACK

Download Our Android App from Play Store and Get Updated News Instantly.