Top Stories
  1. বাড়ি এলেও কথা বললেন না যোগীঃ মুখ্যমন্ত্রী এড়িয়ে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ শহীদের স্ত্রী
  2. কলকাতার নতুন পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা 
  3. সাংসদ হিসাবে পাওয়া ৩ মাসের বেতন সেনা তহবিলে দান করলেন যুব তৃণমূলের সর্বভারতীয় সভাপতি ও সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
  4. চলে গেলেন সঙ্গীতশিল্পী প্রতীক চৌধুরী
  5. বেঙ্গল ন্যাশনাল চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ উত্তরবঙ্গের শিল্পপতিদের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিলেন।
  6. পথ দুর্ঘটনায় মৃত দুই
  7. যেকোনো মুহূর্তে ফের পুলওয়ামা হামলার মতো ঘটনা ঘটাতে পারে জইশ-ই-মহম্মদ
  8. ফের প্রমাণ দিল সেই কাশ্মীর,তবে নাশকতায় নয়,সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে চেয়ে পরীক্ষা দিলেন ২৫০০ কাশ্মীরি যুবক।
  9. স্থায়ী ফুল বাজারের দাবি তুলল শিলিগুড়ি হর্টিকালচারাল সোসাইটি
  10. গুজবের জের। এক যুবককে গাছে বেধে মারধোর গ্রামবাসিদের
news-details
politics

শিলংয়ে জেরা তো কালীঘাটে এত পুলিশ কেন , অবাক এলাকাবাসী থেকে সংবাদমাধ্যম 

 

নিজস্ব সংবাদদাতা, ১১ই ফেব্রুয়ারি : শিলং আর কলকাতার মধ্যে দুরত্ব ১,১২০ কিলোমিটার । শিলংয়ে কড়া নিরাপত্তায় জেরা চলছে কলকাতার পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের । সোমবার ধরলে জেরার তিনদিন । আরও কদিন জেরা চলবে এখুনি বলা যাচ্ছেনা । কিন্তু কলকাতার কালীঘাটের মানুষের প্রশ্ন সেখানে এত পুলিশ কেন ? 

কালীঘাটের ৩০-বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রীটের বাড়ির নাম শান্তিনিকেতন আর বাড়ির মালিকের নাম অভিষেক বন্দোপাধ্যায়। গত কয়েকদিন ধরে সেই বাড়িকে ঘিরে যে দুর্গ প্রমান নিরাপত্তা বলয় কলকাতা পুলিশ গড়ে তুলেছে তা এক কথায় অভূতপূর্ব , নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কালীঘাটের এক প্রৌঢ় ব্যবসায়ীর কথায়, ' বাপের জন্মে দেখিনি।'

শুধুই সাধারন মানুষ নন, নিরাপত্তার এই বজ্র আঁটুনিতে অবাক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম গুলিও । তাদের ভাষায় ওই শান্তিনিকেতনে কি এমন অশান্তির অশনি ঘটল যে এত নিরাপত্তা ? 

ইংরাজী দৈনিক দ্য হিন্দুস্তান টাইমস বলছে, ৩০-বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রীটের মাত্র ৩০মিটার ব্যবধানে রয়েছে দুটি পুলিশ আউট পোষ্ট । সব সময়ের জন্য কর্তব্যরত কলকাতা পুলিশের ৬জন আধিকারিকের নেতৃত্বে এক ঝাঁক পুলিশ কনস্টেবল । এ ছাড়াও রয়েছে একটি কুইক রেসপন্স টিম আর এই টিমের জন্য ২৪ঘন্টার জন্য বরাদ্দ কলকাতা পুলিশের গাড়ি । সব মিলিয়ে 'শান্তিনিকেতন' যেন একটি ছোটখাটো দুর্গপ্রাকার ! 

 কিন্তু কেন এই কঠিন নিরাপত্তা বলয় ? কলকাতা পুলিশ এর কোনও ব্যখ্যা দেয়নি হিন্দুস্তান টাইমসকে । তবে ওই ইংরাজি দৈনিকের নিজস্ব পর্যবেক্ষন, গত ৩রা ফেব্রুয়ারি কলকাতার পুলিশ কমিশনারের সরকারি বাড়িতে সিবিআই হানা এবং পরবর্তী ঘটনা কার্যক্রমের পর থেকেই এই নিরাপত্তার বহর বাড়ছে । 

ওইদিন রাত থেকেই মুখ্যমন্ত্রী মেট্রো চ্যানেলে ধরনায় বসেন । কলকাতার তাবৎ তৃনমূল নেতা হাজির হন সেখানে। প্রায় আড়াই দিনের সেই ধরনায় চলে আসেন জেলার ছোটো বড় নেতাকর্মীরাও । কিন্তু দেখা যায়নি অভিষেক বন্দোপাধ্যায়কে । আড়াইদিনের শেষে সুপ্রিম কোর্টের রায় আসে, কলকাতার পুলিশ কমিশনার সিবিআইয়ের মুখোমুখি হবেন কিন্তু এখনই গ্রেপ্তার করা যাবেনা তাঁকে । আর তারপরেই ধরনা মঞ্চে হাজির হন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ । 

প্রশ্ন হচ্ছে সিবিআইকে কি তাহলে ভয় পাচ্ছেন অভিষেক ? সারদা কিংবা অন্য চিটফান্ডে এখুনি তিনি অভিযুক্ত নন , তাহলে সিবিআই তাঁকে গ্রেপ্তার করবে কেন ? 

এর সম্ভাব্য একটি ব্যখ্যাও দিয়েছে ইংরাজী দৈনিকটি । তাদের বক্তব্য , সারদা বা অন্য কোনও আর্থিক কেলেংকারিতে এখুনি অভিষেকের সংযোগ না পাওয়া গেলেও 'নারদা' স্ট্রিং অপারেশন ধরেই উঠে এসেছে এই তৃনমূল সাংসদের নাম । সিবিআই নারদা সংক্রান্ত মামলায় যে এফআইআর করেছে সেই ১২পাতার এফআইআরে ৬জায়গায় তাঁর নাম উল্লেখ করা হয়েছে । এই ছ'বারে কোথাও তাঁকে অভিষেক বন্দোপাধ্যায় , কোথাও অভিষেক ব্যানার্জী আবার কোথাও শুধুই অভিষেক নামে উল্লেখ করা হয়েছে তাঁকে । 

সারদা , রোজভ্যালি ইত্যাদি সমস্ত চিটফান্ডের পাশাপাশি নারদা মামলাও এখন দেখছে সিবিআই । আর এই সব মামলাই তৃণমুলের ভাষায় রাজনৈতিক অভিসন্ধি থেকেই তাদের বিরুদ্ধে পরিচালনা করা হচ্ছে । সেই অভিসন্ধি থেকেই মামলাগুলিকে এই সূত্রে গেঁথে সিবিআই অভিষেক বন্দোপাধ্যায়কে গ্রেপ্তার করতে পারে এমন আশংকা থেকেই কি এই দুর্ভেদ্য বলয় গড়ে তোলা হয়েছে ? প্রশ্নটা ঘোরাফেরা করছে ।

You can share this post!

Comments System WIDGET PACK

Download Our Android App from Play Store and Get Updated News Instantly.