Top Stories
  1. তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আগাম অনুমতি ছাড়াই মালদা শহরে পদযাত্রা করতে দেওয়ার ফলেই   অর্ণব ঘোষেকে সরিয়ে দিল কমিশন 
  2. ধর্মনিরপেক্ষ ভারত গড়ার লক্ষ্যে ও তৃণমূল সুপ্রিমোর হাত শক্ত করতে অভিষেক ব্যানার্জির নির্বাচনী জনসভা নির্বাচনী জনসভা!
  3. 'বাবলুই সব থেকে বড় কয়লা মাফিয়া' বাবুল সুপ্রিয়কে তোপ দাগলেন তৃণমূল নেতা অরূপ বিশ্বাস!
  4. ভাটপাড়ার পর এবার হালিশহর পুরসভায় ফাটল ধরাল বিজেপি
  5. দামি বাইক যৌতুকে দেওয়ার কথা থাকলেও,সেই পনের দাবি মেটাতে না পারায় মেয়ের বাড়ির ওপর অত্যাচার!
  6. মেলাতে টয় ট্রেন ও নাগরদোলা ভেঙ্গে পড়ে গুরুতর আহত ১৪
  7. পিকনিকে এসে নদীর পারে সেলফি তুলতে গিয়ে নদীতে তলিয়ে গেল এক কিশোর। 
  8. বুথে বিরোধী এজেন্ট বসতে  দেওয়া হবে না?   প্রকাশ্যে সভায় নিদান দিলেন ভাঙ্গড়ের অনুব্রত  মুদ্দাসির
  9. বুনিয়াদপুরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নির্বাচনী জনসভা, জনসমুদ্রে পরিনত হলো মাঠ!
  10. দুই ভারতীয় নাগরিকের শিরশ্ছেদ করল সৌদি আরব 
news-details
politics

লুচি আলুর দমের পর ' ভারত মাতার জয়' , সব্যসাচীকে ঘিরে সন্দেহ দানা বাঁধছে তৃণমূলের অন্দরেই

নিজস্ব সংবাদদাতা,২১শে মার্চ : তাঁর বাড়িতে ‘লুচি-আলুরদম’ খেতে গিয়েছিলেন বিজেপি নেতা মুকুল রায় এমনটা বলেই বিজেপিতে যাওয়ার বিতর্ক চাপা দিয়েছিলেন বিধান নগরের মেয়র সব্যসাচী দত্ত । কিন্তু বৃহস্পতিবার  গলায় গেরুয়া উত্তরীয় ঝুলিয়ে যে ভাবে ‘ভারত মাতা কি জয়’। বললেন তাতে আবার বিতর্কটা ফিরে এল । 
বৃহস্পতিবার দোলের দিন মারোয়াড়ি সমাজের একটি অনুষ্ঠানে সল্টলেকে আরেকটি বোমা ফাটানোর মতই  মন্তব্য করেছেন।  বলেছেন, ‘‘মেয়র থাকি বা না থাকি, বিধায়ক থাকি বা না থাকি, আমি আপনাদের ঘরের ছেলে থাকতে চাই।’’ আর এতেই জল্পনা বেড়েছে শতগুন । 
কেন তাঁর মুখে মেয়র বা বিধায়ক না থাকার কথা কেন সব্যসাচীর মুখে? তবে কি তিনি বিজেপিতেই যাচ্ছেন? তাঁর বাড়িতে এসে মুকুল রায়ের লুচি-আলুরদম খাওয়া কি সে সবেরই অঙ্গ ছিল? দোলের দিন সে সব প্রশ্নই ফের তৃণমূলের অন্দরে চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে ।

শুধু মেয়র বা বিধায়ক পদ নিয়েই নয়, এ দিন রাজারহাট-নিউটাউনের বিধায়ক সব্যসাচী পুলওয়ামা-কাণ্ড নিয়ে বলতে গিয়ে তাৎপর্যপূর্ণ এক মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “সামনে থেকে যারা আক্রমণ করে, তাদের বোঝা যায়। যে পাশে বসেই ছুরি মারে, তাকে ছুড়ে ফেলে দিতে হবে।’’ কাদের উদ্দেশে সব্যসাচীর এই ইঙ্গিত, তা নিয়েও শুরু হয়েছে জোরদার জল্পনা। 
জল্পনায় মাত্রা দিয়েছে আরও  একটি বিষয়। গত মঙ্গলবার নজরুল মঞ্চে মারোয়াড়ি সমাজের একটি অনুষ্ঠান ছিল। সেই অনুষ্ঠানে মূল বক্তা ছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নজরুল মঞ্চে আড়াই হাজারের বেশি আসন রয়েছে। কিন্তু সে দিন প্রথম দিকের বেশ কিছু আসন ভর্তি থাকলেও বাকিটা ফাঁকা ছিল বলেই তৃণমূলের একটা অংশ দাবি করেছিলেন। ওই অনুষ্ঠানে বিধানগরের বিধায়ক সুজিত বসু হাজির থাকলেও সব্যসাচীকে দেখা যায়নি। তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, মারোয়াড়ি সমাজের সঙ্গে দলের সমন্বয় রাখার দায়িত্বটা সব্যসাচীকেই দেওয়া হয়েছিল। সে দিন প্রশ্ন উঠেছিল, সব্যসাচী কেন হাজির থাকলেন না ওই অনুষ্ঠানে?

অথচ সব্যসাচীকেই এ দিন প্রধান অতিথি হিসাবে দেখা গেল মারোয়াড়ি সমাজের রঙের উৎসবে। রাজনৈতিক মহলের একটা অংশ জানাচ্ছে, বিধাননগর পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ড থেকে দীর্ঘ দিনই কাউন্সিলর হিসাবে জিতে আসছেন সব্যসাচী। তাঁর সঙ্গে মারোয়াড়ি সমাজের সম্পর্ক সেই সময় থেকেই ভাল। পরে তিনি যখন মেয়র এবং বিধায়ক হন, সেই সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে। তাই নজরুল মঞ্চের অনুষ্ঠানে সব্যসাচী না যাওয়ায় অনেকেই অবাক হয়েছিলেন।

তবে সব কিছুকে ছাপিয়ে গিয়েছে তাঁর এ দিনের মেয়র-বিধায়ক না থাকা সংক্রান্ত মন্তব্য। তৃণমূল নেতারা যদিও এ প্রসঙ্গে এ দিন কোনও মন্তব্য করতে চাননি। যাদের দলে সব্যসাচীর যাওয়া নিয়ে এত জল্পনা সেই বিজেপিও কোনও মন্তব্য করেনি। তবে জানা গেছে সব্যসাচী দত্ত সম্পর্কে দিন ভর চর্চা চলেছে তৃনমূল ভবনে । অর্জুন সিংয়ের পর সব্যসাচী মুকুলের রায়ের দ্বিতীয় ট্রাম কার্ড কিনা, তাই এখন দেখার অপেক্ষা ।

 

 

ছবি ইন্টারনেট থেকে প্রাপ্ত।

You can share this post!

Comments System WIDGET PACK

Download Our Android App from Play Store and Get Updated News Instantly.