Top Stories
  1. বাড়ি এলেও কথা বললেন না যোগীঃ মুখ্যমন্ত্রী এড়িয়ে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ শহীদের স্ত্রী
  2. কলকাতার নতুন পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা 
  3. সাংসদ হিসাবে পাওয়া ৩ মাসের বেতন সেনা তহবিলে দান করলেন যুব তৃণমূলের সর্বভারতীয় সভাপতি ও সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
  4. চলে গেলেন সঙ্গীতশিল্পী প্রতীক চৌধুরী
  5. বেঙ্গল ন্যাশনাল চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ উত্তরবঙ্গের শিল্পপতিদের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিলেন।
  6. পথ দুর্ঘটনায় মৃত দুই
  7. যেকোনো মুহূর্তে ফের পুলওয়ামা হামলার মতো ঘটনা ঘটাতে পারে জইশ-ই-মহম্মদ
  8. ফের প্রমাণ দিল সেই কাশ্মীর,তবে নাশকতায় নয়,সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে চেয়ে পরীক্ষা দিলেন ২৫০০ কাশ্মীরি যুবক।
  9. স্থায়ী ফুল বাজারের দাবি তুলল শিলিগুড়ি হর্টিকালচারাল সোসাইটি
  10. গুজবের জের। এক যুবককে গাছে বেধে মারধোর গ্রামবাসিদের
news-details
politics

ফোনে কলের কথাবার্তার পর্দা ফাঁস! অস্বস্তিতে বিজেপি

শিলিগুড়ি ওয়েব ডেস্ক,৫ই ফেব্রুয়ারি: সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে বিজেপি দুই নেতার কথাবার্তা। এই নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে একটি আলো়ড়ন পড়ে গেছে। সেই অডিয়ো ক্লিপে এক জনের কণ্ঠস্বর বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা পশ্চিমবঙ্গে দলের পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়র সঙ্গে আপাত ভাবে মিলে যায়। 

একই ভাবে অন্য জনের গলা শুনে মনে হয়, সেটি মুকুল রায়ের! এই অডিয়ো ক্লিপে কিন্তু শিলিগুড়ি বার্তা তার সত্যতা যাচাই করেনি। তবে মুকুলবাবু মেনে নিয়েছেন যে  এটা তাঁর সঙ্গে কৈলাসেরই কথোপকথন। তাঁর অভিযোগ, তাঁর ফোনে আড়ি পাতা হচ্ছে এবং এ নিয়ে তিনি ফের আদালতের দ্বারস্থ হবেন।মিনিট সাতেকের টেলিফোন আলাপে আপাত ভাবে বোঝা যায়, ফোন করেছিলেন কৈলাস। তিনি মুকুলবাবুকে ‘দাদা’ বলে সম্বোধন করে কথা শুরু করেন। কথোপকথনে জানা যায়, মুকুলবাবু তৃণমূলের এক সাংসদকে ‘ভাঙিয়ে’ আনার চেষ্টা করছেন। পাশাপাশি, সিবিআইকে ব্যবহার করে রাজ্যের চার আইপিএস অফিসারকে ‘ভয়’ দেখানোর প্রস্তাবও কৈলাসকে দিয়েছেন মুকুলবাবু।

তাদের ওই অডিয়ো টেপে কথাবার্তার শুরু বলা হয়েছে যে মতুয়া সমাজের এক মহিলা সাংসদের বিষয়ে কৈলাসের প্রশ্ন নিয়ে। মুকুলবাবু যথেষ্ট দুর্বল হিন্দিতে আগাগোড়া কথা বলে যান। কৈলাসকে তিনি জানান, ‘‘ওই মহিলা মমতা ঠাকুর (তৃণমূল)। তাঁকে ধরার চেষ্টা চলছে।’’ ওই পরিবারেরই শান্তনু ঠাকুর ও সুব্রত ঠাকুর সম্পর্কেও দু’জনের কথা হয়। কৈলাস জানতে চান, শান্তনু মমতার ছেলে কি না। তখন মুকুলবাবু বলেন, ‘‘মমতার প্রয়াত স্বামীর ভাই মঞ্জুলকৃষ্ণ ঠাকুরের ছোট ছেলে শান্তনু। সে অস্ট্রেলিয়ায় পড়ত। ওঁর সঙ্গে মমতার যোগাযোগ নেই। সম্পর্ক তিক্ত।’’ কৈলাস জানান, শান্তনু তাঁর সঙ্গে দেখা করে বিজেপিতে কাজ করতে চেয়েছেন। কৈলাসের কথায়, ‘‘ও একটা গাড়ি চাইছে"। ঘুরে ঘুরে সম্মেলন করতে চাইছে। আমার ছেলেটিকে খুব স্পার্কিং লেগেছে। শুনে মুকুল বলেন, তাঁকে দলে নিলে ভালই হবে। শান্তনুকে নিয়ে পরের পদক্ষেপ কী হবে, সে বিষয়ে মুকুলবাবুর পরামর্শ চান কৈলাস।
মুকুলবাবু বলেন, ‘‘ও কাজ করতে চাইলে সব সাহায্য পাবে। ওকে বলুন, মুকুলদার সঙ্গে কথা বলতে।’’ শান্তনুর সঙ্গে শীঘ্রই কৈলাস দেখা করছেন বলে মুকুলবাবুকে জানান। কথা প্রসঙ্গে মুকুলবাবু কৈলাসকে জানান, শান্তনুর দাদা সুব্রত ২০১৬-র বনগাঁ লোকসভা উপনির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী ছিলেন। সুব্রত গরু পাচারে যুক্ত ছিলেন। শান্তনুর কথা বলার পরেই মুকুলবাবু কৈলাসকে বলেন, শঙ্কর ঠাকুরের প্রভাব মতুয়া সমাজে অনেক বেশি। শঙ্করকে তিনি কৈলাসের সঙ্গে দেখা করিয়েছেন বলেও দাবি করেন মুকুলবাবু। তাঁর কথায়, ‘‘মঞ্জুলকৃষ্ণের স্ত্রী শঙ্করের মা। তিনিও স্পার্কিং লেডি। ফাইটিং লেডি।’’

কৈলাস জানতে চান, ‘‘অধ্যক্ষজির (অমিত শাহ) কাছে যাচ্ছি। কী কী বলতে হবে?’’ মুকুলবাবুর হিন্দি বয়ান অনুযায়ী, ‘‘চার আইপিএস কো সিবিআই থোড়া নজর ডালনা হোগা। কোই ধ্যান দেঙ্গে তো আইপিএস ডর পা যায়েঙ্গে।’’ আয়করের ডিরেক্টর অব ইনভেস্টিগেশন ও অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর পদে ‘বাছাই’ দুই অফিসারকে নিয়োগেরও প্রস্তাব দেন মুকুলবাবু। কৈলাস তাঁকে দু’জনের নাম পাঠাতে বলেন। তখন সঞ্জয় সিংহ বলে এক জনের নাম উল্লেখ করেন মুকুলবাবু। এর পরেই কৈলাস বলেন, দুই পদের দু’টি প্রস্তাবিত নাম ও এখন তাঁরা কোন পদে আছেন, তা জানিয়ে মুকুলবাবু যেন তাঁকে এসএমএস করে দেন।

You can share this post!

Comments System WIDGET PACK

Download Our Android App from Play Store and Get Updated News Instantly.