news-details
Story

ব্লাড প্রেশার কমাতে চান? তাহলে অবশ্যই এই ১২টি খাবার খেতে ভুলবেন না

শিলিগুড়িবার্তা ওয়েবডেস্ক, ১৭ নভেম্বর : বর্তমান সময়ে সারা বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে ‘ওয়ার্ল্ড হাইপারটেনশন ডে’। আর মানুষ একবার ব্লাড প্রেশারে আক্রান্ত হলে একের পর এক মারণ রোগ আক্রমণ শুরু করে। তাই এমন সব মারণ রোগকে দূরে রাখতে আজ থেকেই যতটা সম্ভব লবণ খাওয়া কমান।

মূলত ব্লাড প্রেশারের ফলে একজন মানুষের কিডনির রোগ, চোখ এবং ব্রেনের জটিল সব রোগের সম্ভাবনা হতে শুরু করে। ওয়ার্ল্ড হেল্থ ওরগানাইজেশনের মতে লবণ হল এমন একটি খাবার, যা রক্তচাপ বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই তো সুস্থ থাকতে দিনে ২ গ্রামের বেশি লবণ খাওয়া মোটেও চলবে না। 


প্রসঙ্গত, যে যে খাবারগুলি রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে সেগুলি হল...

১. তুলসি পাতা 

তুলসি পাতার রস যদি নিয়মিত সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে মধু মিশিয়ে খেতে পারেন, তাহলে রক্ত চাপ স্বাভাবিক মাত্রায় চলে আসতে সময় লাগে না। 

২. পেঁয়াজের রস

নিয়মিত কাঁচা পেঁয়াজ খাওয়ার পাশাপাশি যদি পেঁয়াজের রস খেতে পারেন, তাহলে দেহের এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে যে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার কোনও সম্ভাবনাই থাকে না। এক্ষেত্রে ১ চামচ পেঁয়াজের রসের সঙ্গে সমপরিমাণে মধু মিশিয়ে খাওয়া শুরু করতে হবে। 

৩. তরমুজ

এবারে জানুন তরমুজের ভূমিকা, তরমুজ কীভাবে রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে- আসলে তরমুজের উপস্থিত ফাইবার, ভিটামিন এ, পটাসিয়াম এবং লাইকোপেন, রক্তচাপকে স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৪. রসুন

নিয়মিত দু-কোয়া রসুন খাওয়া শুরু করলে রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে চলে আসে! আসলে রসুন খাওয়া মাত্র সারা শরীরে রক্তের প্রবাহ এতটা বেড়ে যায় যে ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে আসতে সময় লাগে না।

৫. বিট

রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই সবজির কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে বিটে উপস্থিত নাইট্রিক অ্যাসিড ব্লাড ভেসেলের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই সারা শরীরজুড়ে রক্তের প্রবাহ এতটাই বেড়ে যায় যে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার কোনও সুযোগই পায় না।

৬. মিষ্টি আলু

বীট সবজিটি খাওয়া শুরু করলে দেহের ভেতর পটাশিয়ামের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, যা ব্লাড প্রসোরকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৭. কলা

সকালে ব্রেকফাস্টে কখনও কলা খেতে ভুলবেন না। কারণ এই ফলটির শরীরের থাকা পটাশিয়াম শরীরে প্রবেশ করার পর সোডিয়ামের মাত্রা কমাতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই রক্তচাপ কমতে শুরু করে। এছাড়া চিকিৎসকেরাও হার্ট ও স্বাস্থ্যের উন্নতিতেও কলার ভূমিকার কথা জানিয়েছেন।


৮. ওটস

নিয়মিত ওটস খেলে সিস্টোলিক প্রেশারের পাশাপাশি ডায়াস্টোলিক প্রেশারও কমতে শুরু করে। সেই কারণেই তো ব্লাড প্রেশার রোগীদের নিয়মিত ওটস খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা।

৯. জাম

এই ফলটির শরীরে থাকা ফ্লেবোনয়েড নামক এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এই উপাদানটি শরীর থেকে টক্সিক উপাদানদের বের করে দেওয়ার মধ্যে দিয়ে ব্লাড প্রেশারকে নিয়ন্ত্রণে আনতে বিশেষভাবে সাহায্য করে থাকে।

১০. আঙুর

এই ফলটিতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন। সেই সঙ্গে রয়েছে পটাশিয়াম এবং ফসফরাস, যা নানাভাবে রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। 

১১. অ্যাভোকাডো

অ্যাভোকাডোর মধ্যে থাকা ওলেয়িক অ্যাসিড শুধুমাত্র ব্লাড প্রেসার কমায় না, সেই সঙ্গে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে হর্টকে সুস্থ রাখতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

১২. পালং শাক

সবশেষে পালং শাক। এটি হার্টকে চাঙ্গা রাখতে এবং রক্তচাপকে স্বাভাবিক রাখতে প্রায় প্রতিদিনই পালং শাক খাওয়া খুবই উপকারী। কারণ এই শাকটির মধ্যে থাকে পটাশিয়াম, ফলেট, ম্যাগনেসিয়াম এবং ফাইবার শুধু রক্তচাপ কমায় না, সেই সঙ্গে শরীরের একাধিক অঙ্গের কর্মক্ষমতা বাড়াতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

ব্লাড প্রেশার কমাতে চান? তাহলে অবশ্যই এই ১২টি খাবার খেতে ভুলবেন না


শিলিগুড়িবার্তা ওয়েবডেস্ক, ১৭ নভেম্বর : বর্তমান সময়ে সারা বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে ‘ওয়ার্ল্ড হাইপারটেনশন ডে’। আর মানুষ একবার ব্লাড প্রেশারে আক্রান্ত হলে একের পর এক মারণ রোগ আক্রমণ শুরু করে। তাই এমন সব মারণ রোগকে দূরে রাখতে আজ থেকেই যতটা সম্ভব লবণ খাওয়া কমান।

মূলত ব্লাড প্রেশারের ফলে একজন মানুষের কিডনির রোগ, চোখ এবং ব্রেনের জটিল সব রোগের সম্ভাবনা হতে শুরু করে। ওয়ার্ল্ড হেল্থ ওরগানাইজেশনের মতে লবণ হল এমন একটি খাবার, যা রক্তচাপ বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই তো সুস্থ থাকতে দিনে ২ গ্রামের বেশি লবণ খাওয়া মোটেও চলবে না। 


প্রসঙ্গত, যে যে খাবারগুলি রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে সেগুলি হল...

১. তুলসি পাতা 

তুলসি পাতার রস যদি নিয়মিত সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে মধু মিশিয়ে খেতে পারেন, তাহলে রক্ত চাপ স্বাভাবিক মাত্রায় চলে আসতে সময় লাগে না। 

২. পেঁয়াজের রস

নিয়মিত কাঁচা পেঁয়াজ খাওয়ার পাশাপাশি যদি পেঁয়াজের রস খেতে পারেন, তাহলে দেহের এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে যে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার কোনও সম্ভাবনাই থাকে না। এক্ষেত্রে ১ চামচ পেঁয়াজের রসের সঙ্গে সমপরিমাণে মধু মিশিয়ে খাওয়া শুরু করতে হবে। 

৩. তরমুজ

এবারে জানুন তরমুজের ভূমিকা, তরমুজ কীভাবে রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে- আসলে তরমুজের উপস্থিত ফাইবার, ভিটামিন এ, পটাসিয়াম এবং লাইকোপেন, রক্তচাপকে স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৪. রসুন

নিয়মিত দু-কোয়া রসুন খাওয়া শুরু করলে রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে চলে আসে! আসলে রসুন খাওয়া মাত্র সারা শরীরে রক্তের প্রবাহ এতটা বেড়ে যায় যে ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে আসতে সময় লাগে না।

৫. বিট

রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই সবজির কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে বিটে উপস্থিত নাইট্রিক অ্যাসিড ব্লাড ভেসেলের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই সারা শরীরজুড়ে রক্তের প্রবাহ এতটাই বেড়ে যায় যে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার কোনও সুযোগই পায় না।

৬. মিষ্টি আলু

বীট সবজিটি খাওয়া শুরু করলে দেহের ভেতর পটাশিয়ামের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, যা ব্লাড প্রসোরকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৭. কলা

সকালে ব্রেকফাস্টে কখনও কলা খেতে ভুলবেন না। কারণ এই ফলটির শরীরের থাকা পটাশিয়াম শরীরে প্রবেশ করার পর সোডিয়ামের মাত্রা কমাতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই রক্তচাপ কমতে শুরু করে। এছাড়া চিকিৎসকেরাও হার্ট ও স্বাস্থ্যের উন্নতিতেও কলার ভূমিকার কথা জানিয়েছেন।


৮. ওটস

নিয়মিত ওটস খেলে সিস্টোলিক প্রেশারের পাশাপাশি ডায়াস্টোলিক প্রেশারও কমতে শুরু করে। সেই কারণেই তো ব্লাড প্রেশার রোগীদের নিয়মিত ওটস খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা।

৯. জাম

এই ফলটির শরীরে থাকা ফ্লেবোনয়েড নামক এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এই উপাদানটি শরীর থেকে টক্সিক উপাদানদের বের করে দেওয়ার মধ্যে দিয়ে ব্লাড প্রেশারকে নিয়ন্ত্রণে আনতে বিশেষভাবে সাহায্য করে থাকে।

১০. আঙুর

এই ফলটিতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন। সেই সঙ্গে রয়েছে পটাশিয়াম এবং ফসফরাস, যা নানাভাবে রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। 

১১. অ্যাভোকাডো

অ্যাভোকাডোর মধ্যে থাকা ওলেয়িক অ্যাসিড শুধুমাত্র ব্লাড প্রেসার কমায় না, সেই সঙ্গে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে হর্টকে সুস্থ রাখতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

১২. পালং শাক

সবশেষে পালং শাক। এটি হার্টকে চাঙ্গা রাখতে এবং রক্তচাপকে স্বাভাবিক রাখতে প্রায় প্রতিদিনই পালং শাক খাওয়া খুবই উপকারী। কারণ এই শাকটির মধ্যে থাকে পটাশিয়াম, ফলেট, ম্যাগনেসিয়াম এবং ফাইবার শুধু রক্তচাপ কমায় না, সেই সঙ্গে শরীরের একাধিক অঙ্গের কর্মক্ষমতা বাড়াতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

You can share this post!

Comments System WIDGET PACK

Download Our Android App from Play Store and Get Updated News Instantly.