Top Stories
  1. নদীয়ায় লোকসভা ভোটের আগেই রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ নোডাল অফিসার অর্ণব রায়
  2. দার্জিলিংয়ে ১৯ শে মে নির্বাচন ঘোষনা করল কমিশন
  3. গৃহবধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য
  4. 'ষাণ্ড কি আঁখ' সিনেমার শ্যুটিং করতে গিয়ে ভুমির চামড়া পুড়ে যাওয়ার ছবি সোসশাল মিডিয়ায়
  5. বিয়ে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ৭ বছরের বাচ্চাকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে।
  6. সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হলো ভূমি পেডনেকারের চামড়া পুড়ে যাওয়া ছবি!
  7. সল্টলেকে গভীর রাতে চললো দুষ্কৃতী তান্ডব, ভাঙা হয়েছে পাইপ লাইন!
  8. জ্বরের রোগী বেপাত্তা হাসপাতাল থেকে, ব্যাখ্যা নেই কর্তৃপক্ষ এবং পুলিশের কাছে!
  9. বিজেপি প্রার্থী লকেট চ্যাটার্জির ব্যান্ডেলের বাড়িতে দুষ্কৃতী হামলা!
  10. ভাতারে কবর থেকে এক শিশু কন্যার দেহ উদ্ধার করছে পুলিশ
news-details
Siliguri

ট্রেনের ধাক্কায় কাটা পড়ল একাধিক বিরল প্রজাতির শকুন

গুলমা, ২ ফেব্রুয়ারি: ট্রেনের ধাক্কায় কাটা পড়ল একাধিক বিরল প্রজাতির শকুন। ঘটনা ঘটেছে গুলমা স্টেশনে। ট্রেন লাইনে পড়ে থাকা মৃত গবাদি পশু খেতে গিয়ে ট্রেনের চাকায় পিষে মৃত্যু হয়েছে ছ’টা পূর্ণবয়স্ক শকুনের। 

শিলিগুড়ি-আলিপুরদুয়ার ডিভিশনে পড়ে গুলমা। বন দফতর সূত্রে খবর, গতকাল ট্রেনে কাটা পড়েছিল কোনও গবাদি পশু। সেই মৃতদেহ খাবার লোভেই লাইনের উপর ভিড় করেছিল শকুনের একটা দল। কিন্তু আচমকাই লাইনে ট্রেন চলে আসে এবং পিষে দেয় তার মধ্যে ছ’টিকে। ১৯৯০ সালে পর থেকে শকুনের সংখ্যায় মাত্রাতিরিক্ত ভাবে কমতে থাকে। হোয়াইট রাম্পড ভালচারের (Gyps bengalensis) পাশাপাশি কমতে থাকে আফ্রিকান গ্রিফন ভালচারের (Gyps fulvus)সংখ্যাও। ২০১৬ সালের একটি আন্তর্জাতিক সমীক্ষায় ধরা পড়ে বিশ্ব জুড়ে শকুনের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে মাত্র ১০ হাজারে। তার মধ্যে সবার প্রথমেই রয়েছে ভারতের নাম। এর পরে নেপাল, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার নানা দেশ।
রাজ্যের বন দফতর জানায়, ২০০৮ সালে কেন্দ্রীয় সরকারের একটি সমীক্ষায় ধরা পড়ে, গ্রামাঞ্চলে গবাদি পশুর জন্য ‘ডাইক্লোফেন্যাক’ জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করা হয়। ওই সব পশুর মৃত্যুর পর সেগুলির মাংস খেয়ে মারা যেতে শুরু করে শকুনরা। কারণ, মৃত পশুর দেহে অবশিষ্ট থাকা ওই ওষুধের প্রভাব পড়ে শকুনের যকৃৎ, কিডনিতে। তা ছাড়া ভাগাড়ে নানা ধরনের রাসায়নিক পদার্থ ছড়িয়ে থাকে। মাংসের সঙ্গে সেই সবও পেটে গিয়ে মারণ রোগ তৈরি করে শকুনের দেহে। ঝাঁকে ঝাঁকে পূর্ণবয়স্ক শকুন লোপ পেতে শুরু করে শহর ও গ্রামাঞ্চল থেকে। পরবর্তীকালে শকুন রক্ষায় নানা প্রকল্প নেওয়া হয়। উত্তরবঙ্গে তৈরি হয় শকুনের প্রজনন কেন্দ্র। কলকাতার ময়দানেও বছর কয়েক আগে কয়েকটি শকুনের বাসা নজরে আসে। পরিবেশবিদদের মতে, শকুনের ভূমিকা বাস্তুতন্ত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পরিবেশের মরা, পচা মাংস খেয়ে প্রাকৃতিক উপায়েই মৃত পশুদের সদগতি করে তারা। শকুনের অভাবেই ভাগাড়ের মাংস অসাধু ব্যবসায়ীদের হাত ঘুরে চলে আসছে খাবারের পাতে।

You can share this post!

Comments System WIDGET PACK

Download Our Android App from Play Store and Get Updated News Instantly.