Breaking News

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে জেলা শাসকের নেতৃত্বে আগাম প্রস্তুতি

Image
 

কমল কুমার বিশ্বাস ,বালুরঘাট,২০ শে মার্চ :- আজ দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার জেলাশাসক নিখিল নির্মল এর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল গঙ্গারামপুর মহকুমার নার্সিং হোম ও গঙ্গারামপুর হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। এই প্রতিনিধি দলে জেলাশাসক নিখিল নির্মল ছাড়াও  উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার দেবর্ষি দত্ত, জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডঃ সুকুমার দে ,গঙ্গারামপুর পৌরসভার পৌর পিতা অমল সরকার প্রমূখ।
 . . . . . . এই ভিসিট প্রসঙ্গে জেলা শাসক নিখিল নির্মল জানান ,গঙ্গারামপুর মহকুমার পুনর্ভবা নার্সিং হোম,জীবনজ্যোতি নার্সিং হোম এবং গঙ্গারামপুর পৌরসভায় নতুন করে গড়ে ওঠা মাতৃ সদন পরিদর্শন করেন তারা। এই পরিদর্শনের মুখ্য উদ্যেশ্য হিসাবে তিনি জানান ,সরকারি হাসপাতাল গুলিতে আইসোলেশন ওয়ার্ড করা হয়েছে ; কিন্তু পরিবর্তীত পরিস্থিতে যদি আরো আইসোলেশন ওয়ার্ড এর প্রয়োজন আবশ্যিক হয়ে পড়ে তাই এসব বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গুলিকে দেখা হচ্ছে। তিনি আরো জানান জীবনজ্যোতি নার্সিং হোমে ১০,পুনর্ভবা নার্সিং হোমে ১০ এবং মাতৃ সদনে ৩০ টি বেডের ব্যবস্থা করাহচ্ছে। এছাড়া উপস্থিত সাংবাদিকদের বিবিধ প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান ,মাস্কের কালো বাজারি রুখতে পুলিশের পক্ষ থেকে সারপ্রাইজ রেড চালানো হয়েছে। যে সব বাজার গুলিতে মাস গ্যাদারিং হয় সেগুলো রেস্ট্রিক্ট করা হচ্ছে। তবে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের অযথা মজুত করার কোনো কারণ নেই ; সব দোকানপাট খোলা থাকবে। শুধুমাত্র যেসব স্থানে বেশি মানুষজনের জমায়েত হয় সেগুলোকে রেস্ট্রিক্ট করা হবে। তিনি বলেন আপাদত মাস্ক ব্যবহারের প্রয়োজন সাধারণ মানুষের নেই এবং এই বিষয়টিকে তারা ডিসকারেজ করছেন। শুধুমাত্র হেলথ প্রফেশনালদের মাস্ক ব্যবহার প্রয়োজন। এখন শুধুমাত্র হাত সানিটাইজ করা এবং মাস গাথারিং বন্ধ করলেই চলবে। জেলার করোনা ভাইরাস আক্রান্তের তথ্য দিতে গিয়ে তিনি জানান জেলায় বর্তমানে করোনা আক্রান্ত কেও নেই,আইসোলেশানেও কেও নেই। শুধুমাত্র ১৪৫ জনকে প্রিভেন্টিভ মেসার হিসাবে হোম করেন্টাইনে রাখা হয়েছে। তিনি ভিনরাজ্যে থেকে আগত লোকজনদের জন্য আজ একটি সার্কুলার ইস্যু করবেন। সেই সার্কুলার অনুযায়ী প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েতে একটি করে রেজিস্টার থাকবে এবং আশা কর্মীরা প্রতিটি গ্রামে গিয়ে বহিরাগতদের কাউন্সেলিং করবেন ও তাদের হোম করেন্টাইনে রাখবেন। 
 . . . জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডঃ সুকুমার দে জানান , সরকারি প্রতিষ্ঠানে জায়গা সীমিত তাই মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গুলিকে ব্যবহার করা যায় কি না তা খতিয়ে দেখছেন। শুধুমাত্র আগাম প্রস্তুতি হিসাবে এটা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। এছাড়াও জেলাবাসীর উদ্যেশ্যে তিনি বলেন ,অযথা আতঙ্কিত হবে না। শুধুমাত্র স্বাস্থ্য বিধি গুলি মেনে চলার পরামর্শ দেন তিনি। এছাড়াও ছোট শিশু ও বয়স্কদের অযথা বাড়ির বাহিরে না বাড়ানোর কথা বলেন তিনি।

Share With:


Leave a Comment

  

Other related news