Top Stories
  1. তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আগাম অনুমতি ছাড়াই মালদা শহরে পদযাত্রা করতে দেওয়ার ফলেই   অর্ণব ঘোষেকে সরিয়ে দিল কমিশন 
  2. ধর্মনিরপেক্ষ ভারত গড়ার লক্ষ্যে ও তৃণমূল সুপ্রিমোর হাত শক্ত করতে অভিষেক ব্যানার্জির নির্বাচনী জনসভা নির্বাচনী জনসভা!
  3. 'বাবলুই সব থেকে বড় কয়লা মাফিয়া' বাবুল সুপ্রিয়কে তোপ দাগলেন তৃণমূল নেতা অরূপ বিশ্বাস!
  4. ভাটপাড়ার পর এবার হালিশহর পুরসভায় ফাটল ধরাল বিজেপি
  5. দামি বাইক যৌতুকে দেওয়ার কথা থাকলেও,সেই পনের দাবি মেটাতে না পারায় মেয়ের বাড়ির ওপর অত্যাচার!
  6. মেলাতে টয় ট্রেন ও নাগরদোলা ভেঙ্গে পড়ে গুরুতর আহত ১৪
  7. পিকনিকে এসে নদীর পারে সেলফি তুলতে গিয়ে নদীতে তলিয়ে গেল এক কিশোর। 
  8. বুথে বিরোধী এজেন্ট বসতে  দেওয়া হবে না?   প্রকাশ্যে সভায় নিদান দিলেন ভাঙ্গড়ের অনুব্রত  মুদ্দাসির
  9. বুনিয়াদপুরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নির্বাচনী জনসভা, জনসমুদ্রে পরিনত হলো মাঠ!
  10. দুই ভারতীয় নাগরিকের শিরশ্ছেদ করল সৌদি আরব 
news-details
North Bengal

তিনকন্যা সন্তান জন্ম দেওয়ার কারনে বুধবার বাড়ির উঠোনে চিতা সাজিয়ে গৃহবধূর হাত-পা বেঁধে জ্যান্ত পুড়িয়ে মারার জন্য আগুন লাগিয়ে দেয় বলে অভিযোগ গৃহবধুর স্বামী সহ শ্বশুরবাড়ির লোকেদের বিরুদ্ধে

 

 

শিলিগুড়ি বার্তা ওয়েব ডেস্ক,১১ই ফেব্রুয়ারি: 

 

দেশ ব্যাপী নমোর "বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও " অভিযান ঠিক সেই সময় পরপর ততিন কন্যা সন্তানের জজন্ম দেওয়ায় বাড়ির উঠানে চিতা সাজিয়ে জ্যান্ত পুড়িয়ে মারল এক গৃহবধুকে।

এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে পশ্চিমবঙ্গের মালদা জেলার হবিবপুর ব্লকের ধুমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের তিলাসন গ্রামে। মৃতা গৃহবধূরর নাম মনিকা ভুঁইমালী।

১২ বছর আগে হবিবপুর ব্লকের তিলাসন গ্রামের বাসিন্দা পেশায় ট্যাক্সিচালক টগর ভুঁইমালির সঙ্গে বিয়ে হয় মনিকার।

তিনকন্যা সন্তান জন্ম দেওয়ার কারনে বুধবার বাড়ির উঠোনে চিতা সাজিয়ে গৃহবধূর হাত-পা বেঁধে জ্যান্ত পুড়িয়ে মারার জন্য আগুন লাগিয়ে দেয় বলে অভিযোগ গৃহবধুর স্বামী সহ শ্বশুরবাড়ির লোকেদের বিরুদ্ধে। 

১২ বছর আগে হবিবপুর ব্লকের তিলাসন গ্রামের বাসিন্দা পেশায় ট্যাক্সিচালক টগর ভুঁইমালির সঙ্গে বিয়ে হয় মনিকার।

বিয়ের পরে তিন কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছিল মনিকা।পুত্র সন্তানের জন্ম দিতে না পারায় ক্রোধের কারনেই

গত বুধবার বাড়ির উঠোনে চিতা সাজিয়ে গৃহবধূর হাত-পা বেঁধে জ্যান্ত পুড়িয়ে মারার প্রচেষ্টা করেছিল। 

রাতেই স্থানীয় গ্রামবাসীরা সংকটজনক অবস্থায় ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করায়। দীর্ঘ সময় মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে শেষে হার মানে কনিকা,

সোমবার চিকিৎসাচলাকালিন হাসপাতালেই মৃত্যু কোলে ঢলে পড়ে কনিকা। ঘটনায় স্বামী সহ শ্বশুর বাড়ির লোকদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয় হবিবপুর থানায়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

You can share this post!

Comments System WIDGET PACK

Download Our Android App from Play Store and Get Updated News Instantly.