Breaking News

লোকসভা নির্বাচনের মতো উত্তরবঙ্গে পৌরসভা নির্বাচনেও সাফল্য ধরে রাখতে প্রচেষ্টা চালাচ্ছে বিজেপি

Image
 

নিউজ ডেস্ক,১৩ ফেব্রুয়ারিঃ বিগত লােকসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গে মাস্টারস্ট্রোক দিয়েছিল ভারতীয় জনতা পার্টি। সাংগঠনিক জোর না থাকা সত্ত্বেও, উত্তরবঙ্গের আটটি লােকসভা কেন্দ্রের মধ্যে সাতটি কেন্দ্র দখলে নিয়ে এসেছিল তারা। তবে লােকসভায় বিজেপির অবস্থা ভালাে থাকলেও, রাজনীতি সব সময় পরিবর্তনশীল।কিছুদিন আগেই অনুষ্ঠিত হয়েছে রাজ্যের তিন বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন। যেখানে
উত্তরবঙ্গের কালিয়াগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের
উপনির্বাচন ছিল। কিন্তু সেখানে পর্যদস্ত হতে হযেছে ভারতীয় জনতা পার্টিকে। তাই এই পরিস্থিতিতে আগামী পৌরসভা নির্বাচনে লােকসভার মতই যাতে উত্তরবঙ্গের সাফল্য ধরে রাখা যায়, তার মরিয়া চেষ্টা শুরু করেছে বিজেপি নেতৃত্ব।
বস্তুত, ইতিমধ্যেই নাগরিকত্ব সংশােধনী আইনের বিরুদ্ধাচরণ করে প্রতিবাদ, বিরােধী সভা-সমিতি করতে শুরু করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।যা কিছুটা হলেও ব্যাকফুটে ফেলে দিয়েছে বিজেপিকে। আর এই পরিস্থিতিতে এবার বিজেপি এই আইনের স্বপক্ষে থেকে সাধারণ মানুষের কাছে
গিয়ে প্রচার প্রক্রিয়া চালাচ্ছে। এদিন তারই অঙ্গ হিসেবে জলপাইগুড়িতে গিয়ে অভিনন্দন যাত্রা করে তৃণমূলকে উৎখাতের ডাক দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি এদিন দিলীপ ঘােষ বলেন, "মাইক ব্যবহারের
অনুমতি আমাদের যাওয়া হয়নি। অভিনন্দন যাত্রা
করতেও বাধা দেওয়া হয়েছে। আমাদের মিছিলে যাতে কর্মীরা না আসতে পারে, সেই জন্য রাস্তায় পরিকল্পিতভাবে যানজট তৈরি করা হয়েছে। তবুও রেকর্ড সংখ্যক মানুষ এদের মিছিলে হেঁটেছেন। আজকের মিছিল প্রমাণ
করে দিয়েছে, জলপাইগুড়ির মানুষ আমাদের চাইছে। গােটা দেশে সুশাসন যেভাবে মােদীজি দিচ্ছেন, একইভাবে জলপাইগুড়ি আমাদের হাতে
ক্ষমতা দিলে সুশাসন পাবে।"
আর এরপরই তৃণমূলকে উৎখাতের ডাক দিয়ে
জলপাইগুড়ি পৌরসভা দখলের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসের সুর শােনা যায় দিলীপ ঘােষের গলায়। তিনি বলেন, "জলপাইগুড়ি পৌরসভা পরিচালনায় ব্যাপক অনিয়ম, কাটমানি খাওয়া
হয়েছে। তাই এবারের পুরভােটে তৃণমূলকে
ক্ষমতাচ্যুত করতে হবে।"
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লােকসভার পর
নাগরিকত্ব সংশােধনী আইন নিয়ে তৃণমূলের বিরােধীতার জেরে বিজেপি যে কিছুটা হলেও ব্যাকফুটে পড়েছে, তা অস্বীকার করার জায়গা
নেই। আর তাই এদিন জলপাইগুড়িতে এসে সেই
অস্বস্তিকে ঢেকে জলপাইগুড়ি পৌরসভায় তৃণমূলের দুর্নীতি নিয়ে সরব হয়ে সাধারণ মানুষের আশীর্বাদ চাইলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি
দিলীপ ঘােষ। তবে দিলীপবাবু জনতা জনার্দনের কাছে পৌরসভা নির্বাচনের জন্য এখন থেকেই প্রচার করে ভােট প্রার্থনা করলেও, সাধারণ মানুষ ভােট বাক্সে কার দিকে সমর্থন করেন, তা দেখার অপেক্ষাতেই রয়েছে রাজনৈতিক মহল।

Share With:


Leave a Comment

  

Other related news